Friday, January 6, 2017

সাইট ডিজাইন করার সময়কিভাবে on page seo করবেন


সবাই কেমন আছেন?আমি অনেকব্যস্ত থাকার কারনে আপনাদের নতুনকিছু দিতে একটু দেরি করেফেললাম,আজ আমি আপনাদেরদেখাব SEO করার ক্ষেত্রে আপনারসাইটের ডিজাইন এর উপর কেমনপ্রভাব ফেলতে পারে।আমরা সবাইজানি ভিজিটর পাওয়ার জন্য এস ইওকরা কতটা জরুরি,যারা সাইটচালায় তারা সবাই জানেন যেভিজিটর ছাড়া সাইটের কোন মূল্যথাকে না সেটা যতো টাকাদিয়েই বানান আর নিজেই বানাননা কেন।আমি আপনাদের উপোকারকরার জন্য এই পোস্ট টি লিখতেবসলাম,আসা করি মনযোগ দিয়েপড়বেন।আপনি কি একজন ডিজাইনার?আপনিকি ওয়েব সাইট তৈরি করেন?আপনার কি নিজের একটি সাইটআছে?যদি আপনি এর মধ্যে থাকেনতাহলে আপনাকে অবশ্যই জানতেহবে ডিজাই বা css তৈরি করারসময় কোন দিকে অবশ্যই নজর রাখাজরুরি..!আগে কিছু জিনিসবিস্তারিত ভাবে বুঝিয়েদিই,তারপর আপনি নিজেই বুঝতেপারবেন।আমরা যারা সাইটডিজাইন করি তারা সবাই htmlকিন্ত আপনি কি জানেন html এরকিছু tag দিয়ে সািইট ডিজাইনকরার সময়ই অন পেজ এস ইও করা যায়?অনেকেই জানেন আবার অনেকেজানেন না,যারা যানেন নাতারা মন দিয়ে এই পোস্ট টি পড়তেপারেন,আর যারা যানেন তারাওপড়ে নিতে পারেন কারন শিক্ষাবা জানার শেষ নেই।[h1]কিভাবে html tag দিয়েon page seo করবেন?[/h1]আপনার হয়তো এস ইও সম্পর্কে একটুহলেও ধারনা আছে,আর সেই ধারনাদিয়েই আমরা কাজ শুরু করব।সবাইজানেন h1 থেকে h6 পর্যন্ত এইএইচটি এম এল attribute দিয়ে কি করাযায়…??তবে যেটা জানেন সেটাসঠিক কিন্ত seo করার ক্ষেত্রেকিন্ত এই ট্যাগ অনেক কাজে দেয়।আমরা জানি h1 থেকে h6 পর্যন্ত এইট্যাগ দিয়ে লেখা বড় আকারেরকরা যায়,যেমন আমরা অথবা tag দিয়ে লেখাকেbold করি ঠিক তেমন ভাবেই h1-h6 এরকাজ করা যায়।কিন্ত আমাদেরজানা দরকার কোন ট্যাগ দিয়ে অনপেজ অপটিমাইজেশন করা যায়একটি সাইট ডিজাইন করার সময়। আমিব্যবহার করেছি ,,

থেকে

পর্যন্ত,এখানে on page optimizationকরার জন্য আমরা ব্যবহার করব

থেকে

পর্যন্ত।কারন গুগলকিংবা অন্য সব সার্চ ইঞ্জিনগুলো বলে


পর্যন্ত ব্যবহারকরে অন পেজ অপটিমাইজেশন করারজন্য,কারন সব search engine গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় এই

থেকে

পর্যন্ত।এখন আমরা দেখবকিভাবে এই ট্যাগ দিয়ে আপনারসাইট ডিজাইন করে অন পেজঅপটিমাইজেশন করতে হয়।যখন আপনিআপনার সাইট ডিজাইন শুরু করবেনতখন এই ট্যাগ গুলো আপনার সাইটেরটাইটেল ট্যাগে ব্যবহারকরবেন যেমন:Your site titleঠিক একই ভাবে আপনার সাইটের সবটাইটেল বা আপনি চাইলে আপনারইচ্ছে মত ক্যাটাগরি,ট্যাগে এই

ট্যাগ বসাতে পারেন,তবে আমারমতে যেসব জিনিস আপনার সাইটেরজন্য বেশি দরকার সেই জায়গাগুলোতে এই ট্যাগ ব্যবহার করুন।তবেঅতিরিক্ত ব্যবহার করবেননা,তাহলে search engine স্পামহিসেবে ধরবে।আমি যেটা দেখালাম আপনি এটাদিয়ে আপনি সুন্দর ভাবে on pageoptimization করতে পারবেন।সব সময় এইবিষয় গুলোতে লক্ষ রাখবেন,আরআমি আবার পরেরটিউটোরিয়ালে নতুন কিছু নিয়েহাজির হব আপনাদের সামনে।


SEO (এস ই ও) এর ফুল টিউটোরিয়াল – কোনো সিডি, ইবুক, গাইড লাগবে না অনলাইনেই সব।

 

Introduction

## হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন। এর আগে হয়ত আমি এরকম পোস্ট করিনি। আর আজ আমি কোনো টিউটোরিয়াল দিব না। টিউটোীিয়ালটির লিংক দিব।
## আমার একটা সাইট আছে এবং তাই এসইও করা খুব জরুরি ছিল। এসই এর অনেক টিউটোরিয়াল দেখেছি কিন্তু হেল্পফুল একটাও না।আসলে শুরু থেকে শুরু না করলে আপনি কিছুই বুঝবেন না।


লিংক কেন শেয়ার করলাম? পোস্ট আকারে ট্রিকবিডি তে দিলেই হত!

## দেখুন টিউটোরিয়ালটা গুগল থেকে খুজে পেয়েছি। এর ভিতর অনেক গন্যমান্য ব্যক্তির লেখা দেখলাম। তারা খুব সুন্দর করে সবকিছু তুলে ধরেছেন।
## আমি যদি ডাইরেক্ট সেখান থেকে ট্রিকবিডি কপি পেস্ট মারতাম তাহলে মান সম্মানের ব্যাপার। কারন আমি কপি পেস্ট করি না ট্রিকবিডির সবাই জানে।
## টিউটোরিয়াল টি যিনি লিখেছেন তার মন ক্ষুন্ন হত।


## যা যা থাকছেঃ

**# SEO কি ?? ?
**# Search Engine কি ???
**# সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি ????
**# সার্চ ইঞ্জিন কেন করবো ???
**# সার্চ ইঞ্জিন এর প্রয়োজনীয়তা !!!
**# হোয়াইট হ্যাট এসইও
**# ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
**# অনপেজ অপটিমাইজেশন
**# অফপেজ অপটিমাইজেশন
**# কী ওয়ার্ড
**# সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে
**# সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের এলিমেন্ট
**# মেটা ট্যাগ
**# সাইটের কনটেন্ট বা আর্টিকেলের মাধ্যমে এসইও
**# কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ
**# কী-ওয়ার্ড রিলিভেন্স
**# কি-ওয়ার্ড সার্চ ভলিউম
**# কি-ওয়ার্ড প্রতিযোগীতা এবং প্রতিযোগী
বিশ্লেষণ
**# কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস
**# লং টেইল কীওয়ার্ড কি কেন কিভাবে
**# কম্পিটিটর এন্যালাইসিস
**# পেজ র্যাঙ্ক
**# ব্যাকলিংকস কি?
**# এলেক্সা র্যাঙ
**# সাইট ম্যাপ
আরও কত কি?!!!

Tutorial Link is here

আশা করি অনেক উপকারে লাগবে।
ধন্যবাদ।
,

আপনার ব্লগার সাইটটির সঠিকভাবে SEO করান



উপযুক্ত জায়গায় সঠিক Keyword Placement করা সার্চ
ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। একজন
ব্লগার যদি ব্লগের গুরুত্বপূর্ণ Keywords গুলি সঠিকভাবে
Placement করতে পারেন, তাহলে নিংসন্দেহে বলা যায়
সার্চ ইঞ্জিন হতে তার ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধি পেতে
থাকবে। কারণ একজন ব্যক্তি তার প্রয়োজনীয় কোন
বিষয় ইন্টারনেটে খুঁজার ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিনে কিছু
Keywords ব্যবহার করে থাকেন। সার্চ ইঞ্জিনে ঐ
Keywords এর উপর ভিত্তি করে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ
ওয়েবসাইট/ব্লগের পোষ্টগুলি সার্চ রেজাল্টের Search
Algorithm অনুসারে প্রদর্শন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে
আপনি যদি সঠিক জায়গায় উপযুক্ত Keyword বসাতে
পারেন, তাহলে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ ক্যোয়ারী
অনুসারে আপনার ব্লগটি পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা
তৈরি হয়।
আজ আমি যেই পোষ্টটি শেয়ার করছি এটি অত্যান্ত
কমন এবং সহজ একটি বিষয়। শুধুমাত্র আর্টিকেল লিখার
সময় বিষয়গুলি লক্ষ্য রাখলেই হয়ে যায়। বেশীরভাগ
ব্লগাররা এই বিষয়গুলি লক্ষ্য রাখেন না কিংবা হেলার
কারনে অনুসরণ করেন না। যার ফলে দেখা যায় ব্লগে
ভাল আর্টিকেল থাকা সত্বেও সার্চ ইঞ্জিন হতে
পর্যাপ্ত ট্রাফিক পাচ্ছেন না। আমি নিচে এই সহজ
টেকনিকগুলি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।
 টাইটেলে কীওয়ার্ড ব্যবহার
একটি ব্লগ পোষ্টের বা ওয়েবসাইটের সবচাইতে
গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে টাইটেল ট্যাগ। টাইটেল ট্যাগ-কে
সার্চ ইঞ্জিন সবচাইতে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
তাছাড়া আমরা সবসময় দেখে থাকি যে, একটি পোষ্টের
টাইটেল ট্যাগ সার্চ রেজাল্টের সবচাইতে বড় অক্ষরে
সবার উপরে শো করে থাকে। এই টাইটেল দেখেই আমরা
সার্চ ইঞ্জিন হতে যে কোন ব্লগ ভিজিট করে থাকি।
কাজেই একটি পোষ্টের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ
কীওয়ার্ডের সমন্বয়ে যদি টাইটেল তৈরি করতে পারেন,
তাহলে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক বৃদ্ধির সুযোগ বেড়ে
যায়। টাইটেল তৈরি করার সময় লক্ষ্য রাখবেন টাইটেল
যাতে ৬০-৭০ টি অক্ষরের মধ্যে হয়। কারণ বেশী বড়
টাইটেলকে সার্চ ইঞ্জিন গুরুত্ব দেয় না।
 Meta Descriptions এ কীওয়ার্ড
একটি ব্লগের পোষ্ট টাইটেলের পরে সার্চ ইঞ্জিন
Meta Descriptions ট্যাগকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কেউ
যখন সার্চ ইঞ্জিনে কোন বিষয়ে খুঁজে, তখন সার্চ
ইঞ্জিন প্রথমে Post এর টাইটেল দেখার পাশাপাশি
Meta Descriptions দেখে থাকে। এ ক্ষেত্রে Meta
Descriptions এ সঠিক কীওয়ার্ড বসাতে পারলে খুব সহজে
আপনার ব্লগের পোষ্টগুলি সার্চ রেজাল্টের প্রথম
পাতায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে
পোষ্টের Meta Descriptions টা অবশ্যই আপনার পোষ্টের
বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ডের
সমন্বয়ে তৈরি করবেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন Meta
Descriptions টি যেন টাটইটেল ট্যাগের সাতে হুবহু মিলে
না যায়। তাহলে Meta Descriptions টি সার্চ ইঞ্জিনের
কাছে কোন গুরুত্ব বহন করতে পারবে না।
 Headlines এ কীওয়ার্ড
সাধারণত ব্লগ পোষ্টের অভ্যন্তরের বিভন্ন গুরুত্বপূর্ণ
Heading Tags গুলি H2, H3 এবং H4 আকারে লিখা হয়ে
থাকে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে এই
ধরনের Heading Tags গুলি অনেক গুরুত্ব বহন করে থাকে।
আপনি যখন কোন একটি পেরা লিখবেন, তখন উক্ত
পেরাটির গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড এর সমন্বয়ে Heading Tag
টি লিখতে পারেন। কারণ সার্চ ইঞ্জিন বট পোষ্ট Crawl
করার সময় Heading Tags গুলিকে আলাদা দৃষ্টিতে দেখে।
এ ক্ষেত্রে Heading Tags গুলিতে Important Keywords
থাকলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার পোষ্টটিকে অধিক গুরুত্ব
দেবে।
 প্রথম Paragraph এ কীওয়ার্ড
একটি পোষ্টের প্রথম Paragraph টি হচ্ছে সম্পূর্ণ
পোষ্টের সূচনা। এই সূচনাটির মাধ্যমে পুরো পোষ্টটি
সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখা হয়ে থাকে। এতেকরে
ভিজিটর এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ই সূচনা পড়ে সম্পূর্ণ
পোষ্টটির গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে। তাছাড়া সার্চ
ইঞ্জিনও কখনো কখনো সার্চ রেজাল্টের পাতায় Meta
Descriptions এর পরিবর্তে পোষ্টের প্রথম দিকের কিছু
আর্টিকেল প্রদর্শন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে যদি প্রথম
Paragraph টিতে গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড রাখা যায়, তাহলে
বিষয়টি পাঠক এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের কাছে অধিক
গ্রহনযোগ্য হয়।
 Image এ কীওয়ার্ড
Image হচ্ছে ব্লগ পোষ্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্লগ
পোষ্টে Image ব্যবহার করে যে কোন বিষয় সম্পর্কে
পাঠকদের সুস্পষ্ট ধারনা দেয়া যায়। অন্যদিকে সার্চ
ইঞ্জিনও ব্লগের সকল Image গুলিকে আলাদাভাবে
সার্চ রেজাল্টে নিয়ে আসে। সাধারণত আপনি দেখে
থাকেন যে, Google Search এর সার্চ রেজাল্টে Image
নামে একটি ট্যাব থাকে। ওখানে ক্লিক করে Keywords
অনুসারে কাঙ্খিত বিষয়ের অনেক Image পাওয়া যায়।
আপনি যদি ব্লগের Image গুলি সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলী
করে লিখেন তাহলে ঐ Image থেকে অনেক ভিজিটর
পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরী হয়। ব্লগের Image এ বিভিন্ন
ধররেন Alt Tag ও Caption এর মাধ্যমে Optimize করা যায়।
 Keyword Bold, Italic ও Underline করা
একটি ব্লগ পোষ্টের ভীতরে কিছু কিছু বাক্য বা শব্দ
থাকে যেগুলি অন্য অংশের চাইতে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই
ধরনের বাক্য ও শব্দগুলিকে Bold, Italic ও Underline করার
মাধ্যমে আকর্ষণীয় করে পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে
পারেন। এ বিষয়টি ব্লগ পোষ্টের সুন্দর্য বৃদ্ধি করার
পাশাপাশি পাঠকদেরও ঐ অংশটির গুরুত্ব বুঝিয়ে দিতে
সক্ষম হবে। এটি On-Page SEO এর একটি অংশ।
 Permalinks এ কীওয়ার্ড
একটি পোষ্টের সুগঠিত Url দেখতে যেমন সুন্দর মনে হয়,
তেমনি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে অনেক গুরুত্ব বহন করতে
পারে। আপনি যে বিষয় নিয়ে পোষ্ট লিখছেন সে
বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গুরুত্বপূর্ণ Keywords এর
মাধ্যমে পোষ্টের Permalink গঠন করতে পারেন। কারন
পোষ্টের Permalink টি যদি পোষ্টের গুরুত্বপূর্ণ
কীওয়ার্ডের সাথে মিল রেখে করেন, তাহলে সার্চ
ক্যোয়ারী থেকে সার্চ রেজাল্টের ভাল অবস্থানে
আসার অধীক সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যায়।
 সর্বশেষ Paragraph এ কীওয়ার্ড
সর্বশেষ Paragraph এর মাধ্যমে যে কোন পোষ্টের ইতি
টানা হয়। কিছু পাঠক থাকেন যাদের হাতে খুব কম সময়
থাকে। তারা পোষ্টের সবটুকু অংশ পড়তে চান না। এ
ধরনের পাঠক পোষ্টের সূচনা এবং শেষ Paragraph টি
পড়ে পোষ্ট সম্পর্কে সংক্ষেপে বুঝে নেয়ার চেষ্টা
করেন। এ ক্ষেত্রে আপনি যদি শেষ Paragraph টি
গুরুত্বপূর্ণ Keywords এর মমন্বয়ে সাঝিয়ে গুছিয়ে লিখতে
পারেন, তাহলে পাঠক পোষ্টের গুরুত্ব বুঝে সম্পূর্ণ পোষ্ট
পড়ার আগ্রহ জাগতে পারে। তাছাড়া একটি পোষ্ট সুন্দর
বর্ণনার মাধ্যমে শেষ করতে পারলে পোষ্টের গুনগত
মানও বৃদ্ধি পাবে।
সর্বশেষঃ একটি পোষ্টে যা কিছু লিখা হয় তার সবটুকুই
হচ্ছে কীওয়ার্ড। আর যখন পোষ্টের গুরুত্বপূর্ণ Keywords
গুলি উপযুক্ত জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন, তখন এই
গুরুত্বপূর্ণ অল্প Keywords গুলি আপনার সম্পূর্ণ
পোষ্টটিকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে অধিক মাত্রায়
গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে। তাছাড়া ইন্টারনেটে সার্চ
ইঞ্জিনের মাধ্যমে Keywords ব্যবহার করে সবাই তাদের
প্রয়োজনীয় বিষয় সার্চ করে থাকে। সুতরাং আপনি যদি
ব্লগের Important Keywords এর যথাযথ ব্যবহার করতে
পারেন, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন হতে আপনার ব্লগে
ভিজিটর বাড়বেই।

হিদায়াতের এক লোমহর্ষক কাহিনী,পড়ুন শেয়ার করুন।

 একবার কাকরাইল থেকে ফ্রান্সে গেলো বাংলাদেশী এক তাবলীগ জামাআত। প্রতিদিনের ন্যায় একদিন আসরের নামাযের পর জামাআত উমুমী গাশতে বের হলো। জামাআতের নিয়ম অনুযায়ী সকল সাথী রাস্তার ডান দিকে মাথানত করে চলতে লাগলেন। ঘটনাক্রমে এই দিন জামাআতের সকল সাথীর গায়ে সাদা জোব্বা আর মাথায় পাগড়ী ছিলো। সকলে নিচের দিকে তাকিয়ে হাঁটছিলেন। এমন সুসংঘটিত লোক আর আজব পোশাকের মানুষ দেখে মটর সাইকেল ড্রাইভরত এক অর্ধ নগ্ন মেয়ে নিজের বাইক থামিয়ে তন্ময় হয়ে তাদের দেখতে থাকলো। অবশেষে মেয়েটি নিজের কৌতুহল থামিয়ে রাখতে না পেরে জামাআতের সামনে গিয়ে বললো,
মেয়েটিঃ ব্রাদার ! আপনারা কী এমন বস্তু হারিয়েছেন যে সকলেই একযোগে তালাশ করছেন?
আমীর সাহেবঃ (মাথা নত রেখে জবাবে বললেন)আমরা ঈমান হারিয়ে ফেলেছি। তাই ঈমান তালাশ করছি।
মেয়েটিঃ ঈমান কী?
আমীর সাহেবঃ ঈমান উভয় জাহানের সফলতার নাম।
মেয়েটিঃ তাহলে আমিও আপনাদের সাথে উভয় জাহানের সফলতা তালাশ করতে চাই।
# মেয়েটির এই কথা শুনে জামাআতের আমীর সাহেব ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত তাবলীগ জামাআতের মাস্তুরাত সেন্টারের ঠিকানা দিয়ে বললেন, “মহিলাদের জন্য এই ঠিকানায় রয়েছে উভয় জাহানের সফলতার মণ্ত্র।” আমীর সাহেবের দেয়া ঠিকানায় সোজা চলে গেলো মেয়েটি।
মাস্তুরাত সেন্টারে গিয়ে পুর্বাপর সব ঘটনা খুলে বললো। সেন্টারে থাকা মাস্তুরাতের মহিলা সাথীরা মেয়েটির সামনে ইসলাম ধর্মের সৌন্দর্য তুলে ধরলেন। আলহামদুলিল্লাহ, মেয়েটি সানন্দে ঈমান গ্রহন করে তার মা-বাবাকে ফোনে জানিয়ে দিলো সে আর বাসায় ফিরবে না। মেয়েটির পারিবারিক নাম ছিলো এলিয়েদা। ইসলাম গ্রহনের পর ফ্রান্সের তাবলীগ জামাআতের আমীর ডক্টর ছানাউল্লাহ সাহেব মেয়েটির নাম রাখেন সাকিনাহ। মাস্তুরাতে সময় লাগিয়ে মেয়েটি আপাদমস্তক দ্বীনের
দ্বায়ী বনে গেলো। দুই বছর পর মেয়েটিকে তাবলীগ জামাতের এক যিম্মাদার সাথী বিয়ে করেন। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী মিলে মাস্তুরাত জামাতের সাথে হজ্ব করতে মক্কায় চলে যান।
# সেখানে অবসরে হজ্জে আগত মহিলাদের কাছে গিয়ে সাকিনাহ তাদেরকে দ্বীনের মেহনতের গুরুত্ব, দায়িত্ব, ফজিলত শুনাতেন আর বলতেন, “প্রিয় বোনেরা ! আপনারা দুনিয়ার আসবাব ও বিলাসিতায় মগ্ন। অথচ ফ্রান্সে বিধর্মী মেয়েরা ঈমান গ্রহন করে নিজেদের ঘর থেকে স্বেচ্ছায় এইসব আসবাব ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করছে।
# মক্কায় সাকিনাহ অবস্থান কালীন চতুর্থ দিনে আসরের নামায পড়তে হেরেম শরীফে গেলেন। হেরেমের বাইরে অগুনিত মহিলা সাকিনার জন্য অপেক্ষা করছিলো। সাকিনাহ হেরেম শরীফ থেকে বের হতে দেরী হচ্ছে দেখে কয়েকজন মহিলা হেরেমের ভিতরে সাকিনাকে খুঁজতে থাকলো।
কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা। এ দিকে মাগরিবের আযানের সময়ও নিকটবর্তী। অবশেষে এক মহিলা গিয়ে দেখেন কা’বা শরীফের একেবারে সামনে সাকিনাহ সিজদারত। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরও যখন সে দেখল, সাকিনাহ সিজদাহ থেকে মাথা উঠাচ্ছেন না তখন এক মহিলা সাকিনার পিঠে হাত দিয়ে নাড়া দিলেন। কিন্তু একি ! সাকিনাহ কিয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্য নিজের মাথা আল্লাহ তাআলার দরবারে সঁপে দিয়েছেন। সিজদারত সাকিনাহ ইন্তেকাল করেছেন। সাকিনাহ আর ইহজগতে নেই। মক্কায় অপেক্ষারত হাজারো মুসলিম মহিলা আর তাঁর প্রানপ্রিয় স্বামীকে শোকসাগরে ভাসিয়ে সাকিনাহ পৌছে গেলেন তাঁর রবের কাছে।
# সুপ্রিয় পাঠক, একবার ভাবুন ! আমরা যারা তাবলীগ জামাআতের বিরোধীতা করি, আমাদের পুরো জীবনেও কি কোনো এলিয়েদাকে সাকিনাহ বানাতে পেরেছি ?
# হে আল্লাহ, আমরা গোনাহগার। আমাদের ক্ষমা কর। তোমার দ্বীনের উপর অটল রেখে ঈমানী অবস্থায় মৃত্যু দিও। আমিন। (সংগৃহিত)

কিভাবে একজন ভালো ছাত্র হওয়া যায়,জেনে নিন কাজে লাগবে।

কিভাবে ভাল ছাত্র হবার উপায় অনুসন্ধানকরা যায় তা আমি একে একে বিশ্লেষন করছি-প্রথমেই একটি ডেইলি রুটিনের জন্য যা করতে পারেন তা হচ্ছে:::::::::::::::::::::
পরিকল্পনা তৈরীঃ
নিজে নিজেই যেহেতু আপনি একটি রুটিন বানাবেন তাই নিজে থেকেই পরিকল্পনা করুন।
কিভাবে সাজালে ভাল হয়, কোন কাজের উপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এসব মাথায় রেখে একটি সুন্দর পরিকল্পনা করে ফেলুন। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যান..
সময় ভাগ করাঃ
সময়কে ভাগ করে নেয়ার পর তা দিয়ে দিনের একেক টি কাজ পরিপুর্নভাবে সম্পন্ন করতে পারাই রুটীনের কাজ। যদি ব্যর্থ হয় তবে রুটিন ভ্যালু লেস হয়ে যায়। তাই একটি রুটিন কখনোই এলোমেলো হতে পারেনা সফলতার জন্যে। সময়ের কাজ সময়ে করতে পারার একটা চর্চা করতে হবে। সময় ভাগ করে ফেললে আপনার রুটিনের জন্য সহজ হয়ে যাবে। তবে এমন সময় নিয়ে আসবেন না যে সময়ে আপনি কোন নির্দিষ্ট কিছুই করতে পারবেন না।
যেমন আপনি মনে করলেন যে দুটা কাজের ফাঁকে ১০মিনিট সময় আছে অন্য একটি কাজ করে ফেলা যায়।
হ্যাঁ করে তো ফেলা যায় তবে তা যেন বড় কোন কাজ না হয় সে দিকেই খেয়াল রাখতে হবে।ডেইলি রুটিনেরজন্য অবশ্যই পাঁচ মিনিটের বেশি সময় লাগে এমন সব কাজ সময়ের মধ্যে ধরতে হবে।
সময় পরিমাপঃ
প্রত্যেক কাজের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। যেমন আপনি একটি হোমওয়ার্ক করতে আপনার হয়ত ৩০ মিনিট সময় লাগে। তাহলে আপনার রুটিনে ত্রিশ মিনিটের কম সময় নেয়া বোকামি হবে। এজন্য প্রত্যেক কাজের জন্য নির্দিষ্টসময় পরিমাপকরতে হয়। রুটিন করার আগে এই সময়জ্ঞান আপনাকে অর্জন করে নিতে হবে।
রুটিন স্থায়ীকরনঃ
প্রারম্ভিক পর্যবেক্ষনের জন্য আপনি একটি খসড়া রুটিন দিয়ে শুরু করতে পারেন। যেমন ম্যাথমেটিক্স এর জন্য প্রতিদিন এক ঘন্টা। কিন্তু কিছু দিন(প্রায় এক মাসের) মধ্যে দেখলেন যে একঘন্টা অনেক কম হচ্ছে। আপনার আরো বেশি সময় দরকার। তাহলে আরো বাড়িয়ে নিতে পারেন। বাড়িয়ে নিলে যদি মনে হয় যে এবার ঠিক আছে তখন সেটাস্থায়ী ডেইলি রুটিনহিসেবে নিন। এভাবে খসডা থেকে আপনি স্থায়ী রুটিনে অনেক কাজে সময় কমাতেও পারেন।
উদাহরন, আপনার গোসলে প্রতিদিন ৩০ মিনিট সময় লাগে। আপনি চাইলে আরো দ্রুত গোসল সারতে পারেন।
তখন হয়ত ৭মিনিটের মধ্যেই গোসল শেষ, একে স্থায়ী রুটিনে নিন। আর এই সাত মিনিটের বাইরে আর যাওয়া যাবে না। এটাই আপনার ইফিসিয়েন্সি বা দক্ষতা। কাজে দিন দিন দক্ষতা বাড়ে। তাই সময় আমাদের দিন দিন বাড়তে থাকে, কারন কাজের জন্য সময় কম লাগে। এভাবেই আপনি অনেক বেশি কাজ শেষ করতে পারবেন। যিনি সেরা তিনি অবশ্যই আমাদের চেয়ে দ্রুত কাজকরেন।
রুটিন পরিবর্তনঃ
এটা লাগবেই কারন কোন রুটিনেই আপনি জীবন ধরে রাখতে পারবেন না।
তার জন্য বৈচিত্র নিয়ে আসতে হয়। তিনমাসে ছোটখাট পরিবর্তন করতে পারেন। আবার বছরে নতুন প্ল্যানিং কালে অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারেন। কোন কোন ক্ষেত্রে চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রাকৃতিক কারনেও পরিবর্তন লাগতে পারে। পরিবর্তন কে উন্নতি হিসেবে নিন। যেমন আপনার সাধারন জীবন থেকে উন্নত জীবন। নিজেই বের করুন কী করলে আপনি আরো উন্নত জীবন পাচ্ছেন।……………..
সবসময় নিজেকে গড়ার পিকল্পনা করতে হবে।
তো আশা করি কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন।
ভালো লাগলে শেয়ার করে দিন।

ডোমেইন ও হোস্টিং কিনার আগে জেনে নিন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

সাত পাঁচ না ভেবেই শুরু করে দিলে পরে আপনার সব হোস্টিং ফাইল অন্য হোস্টে সরানোর

 ঝামেলা পোহাতে হতে পারে ও ডোমেইন ট্রান্সফার করা লাগতে পারে। তাই আগে থেকেই সাবধানে এবং বুঝে শুনে শুরু করা ভালো।

ডোমেইনঃ


ইন্টারনেটে অগণিত নামীদামী ডোমেইন বিক্রেতা আছেন, তাদের কাছে থেকে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ডোমেইন কিনবেন ? নাকি আপনার স্থানীয় বিক্রেতার কাছে থেকে কিনবেন ? ধরুন আপনার জনপ্রিয় ডোমেইন হ্যাক হয়ে গেল, সেই ডোমেইন ফেরত পেতে অনেক ঝামেলা হতে পারে, যদি সেই ডোমেইন ক্রেডিট কার্ড দিয়ে নিজে কিনে থাকেন। প্রথমেই ডোমেইন রেজিস্ট্রারের সাথে যোগাযোগ করা, তাকে সম্পূর্ণ ব্যাপারটা ইমেইলে জানানো, এর পরে নিজের আইডেন্টিটি প্রমাণের ব্যাপার আছে। ক্রেডিট কার্ড নিজের নামে না হয়ে পরিবারের কারো নামে কিংবা
বন্ধুবান্ধবের নামে হলেই কেলেঙ্কারি, তাদেরকে নিয়ে টানাটানি, তারা ভেরিফাই না করলে ডোমেইন ফেরত পাবেন না। এইসব ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে স্থানীয় বিক্রেতার কাছে থেকেই কেনা ভালো। তারাও তাদের ক্রেডিট
কার্ড দিয়েই কিনে, আপনি যেখান থেকে কিনবেন তারাও হয়তো সেখান থেকেই কিনে, কিন্তু তার পরেও তারা হচ্ছে রিসেলার এজেন্ট, কোম্পানীর সাথে আপনার চেয়ে তাদের আরও কাছের যোগাযোগ, তারা অনেক সহজেই আপনার ডমেইন আপনাকে ফেরত এনে দিতে পারবে। যেহেতু স্থানীয়, তাই তারা আপনাকে চিনবে, আইডেন্টিটি প্রমাণের প্রশ্ন আসবে না। তাই,
আমি বলব যে, ডোমেইন স্থানীয় বিক্রেতার কাছে থেকে কেনাই ভালো। তাছাড়াও, সব সময় টপ লেভেলের ডোমাইন ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, যদিও দাম একটু বেশি পড়বে। তবে আপনি থাকবেন নিরাপদ। কম টাকার প্রমো ডোমেইন কিনা থেকে দূরে থাকুন।

হোস্টিং কিনাঃ


হোস্টিং কিনতে পারেন মাষ্টার কার্ড, পেপাল ইত্যাদি দিয়ে বা স্থানীয় বিক্রেতার কাছ থেকে। কিন্তু কি কি ফিচার আপনার প্রয়োজন ? তালিকায় অনেক কিছুই লেখা থাকে, সব কি আপনার দরকার ? তালিকায় লেখা প্রচুর
ফিচার দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়ে হোস্টিং না কিনাই ভালো। আবার এও ঠিক যে, তালিকায় লেখা অনেক ফিচার আপনার অসুবিধার সৃষ্টি করতে পারে ভবিষ্যতে। আসুন জেনে নিই ? আপনি কি একটি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট বানাতে চান ? সেক্ষেত্রে তথাকথিত ‘আনলিমিটেড’ হোস্টিং আপনার
একেবারেই প্রয়োজন নেই। কম টাকায় পেয়ে গেলেও না। তাতে কিই বা হোস্টিং করবেন যাতে ‘আনলিমিটেড’ স্পেস লাগতে পারে ? কারন আপনি প্রচুর পরিমানে অডিও/ভিডিও আপলোড করতে পারবেন না। সার্ভারে
MP3 রেখে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু সেইসব ডাউনলোডের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া কিন্তু বেআইনি। কপিরাইটের ঝামেলা আছে। আপনি গান বাজনার সাথে যুক্ত হলে আপনার নিজস্ব মিউজিক ফাইলগুলি রাখার
ক্ষেত্রেও আগে জিজ্ঞেস করে নেবেন, অনেক হোস্টিং বিক্রেতা তাদের terms & conditions’এ লিখেই দেন যে বহু পরিমানে মিডিয়া ফাইল লোড করে রাখা যাবেনা। ব্যক্তিগত কিছু ভিডিও নিশ্চয় রাখতে পারেন, তাও কতোখানি, সেটা জিজ্ঞেস করে নেবেন সাপোর্টে ইমেইল করে। আপনি কি বানিজ্যিক ওয়েবসাইট কিংবা ফোরাম কিংবা ব্লগিং ওয়েবসাইট বানাতে চান ? এক্ষেত্রেও আমি বলবো যে আনলিমিটেড হোস্টিংয়ের প্রয়োজন নেই, লিমিটেড শেয়ার হোস্টিং হলেই হবে। Bandwidth সেখানে বেশি জরুরী জিনিস, একটি হোস্টিং কোম্পানীর ওয়েবসাইটে পড়লাম যে “MySQL database Unlimited (200MB)” অবস্থা বুঝতে পারছেন ? একদিকে
লেখা আনলিমিটেড, কিন্তু ব্র্যাকেটে লেখা ২০০ মেগাবাইট। সাপোর্টে ইমেইল করে জানলাম যে এখানে Unlimited মানে অগনিত সংখ্যায় ডেটাবেস বানাতে পারলেও এক একটির সাইজ যেন 200MB পার না করে !
সুতরাং এইসব জেনে নেবেন। ফোরাম কিম্বা গ্রুপ ব্লগিং
ওয়েবসাইটে ডেটাবেস সাইজ কিন্তু বাড়বে। আবার
Bandwidth বিষয়টিও মাথায় রাখবেন। অনেক কোম্পানীই
লেখে আনলিমিটেড, কিন্তু এখানে লেখার মধ্যে
সামান্য কারিগরির ব্যাপার আছে। তাই ভাল করে জেনে
নিন।
VPS কিনলেই যে খুব সুবিধা পেয়ে যাবেন তা নাও হতে
পারে। সেটা নির্ভর করবে সেই সার্ভারের RAM,
Processor (Single or Dual or Quad processor) ইত্যাদি অনেক
কিছুর উপরে। ভারী ধরনের ওয়েবসাইট বানাতে হলে বুঝে
শুনে ভালো কনফিগারেশানের ডেডিকেটেড সার্ভার
নিতে হবে। সেই সার্ভারের ইন্টারনেট গেটওয়ে কেমন,
কোন নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত, সার্ভারের
ডেটাসেন্টার কোন দেশে, তার পিং স্পিড কত, আপটাইম
কেমন সেইসব জেনে নেওয়াও জরুরী। একজন দায়িত্ববান

ওয়েব মাস্টার হতে গেলে এইসব জানা নিতান্তই জরুরী।


সাত পাঁচ না ভেবেই শুরু করে দিলে পরে আপনার সব
হোস্টিং ফাইল অন্য হোস্টে সরানোর ঝামেলা পোহাতে
হতে পারে। তাই আগে থেকেই সাবধানে এবং বুঝেশুনে
শুরু করা ভালো। এতে নিজের টাকার সঠিক মূল্য পাবেন,
দায়িত্ববান ওয়েব মাস্টার হয়ে উঠতে পারবেন, সার্চ
ইঞ্জিনেও র্যাঙ্ক ধরে রাখতে সক্ষম হবেন। সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় নিলাম ভাল থাকুন।

তোমরা পাঁচটি অবস্থায় পতিত হওয়ার পূর্বে পাঁচটি জিনিসকে মূল্য দাও

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মহা নেয়ামতের কদর করতে বলেছেন। এক হাদীসে ইরশাদ হয়েছে, তোমরা পাঁচটি অবস্থায় পতিত হওয়ার পূর্বে পাঁচটি জিনিসকে মূল্য দাও।
(১) বৃদ্ধ হওয়ার পূর্বে যৌবনকে
(২) রোগ আক্রমণ করার পূর্বে সুস্থতাকে
(৩) কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসর সময়কে
(৪) মউত আসার পূর্বে জীবনকে
(৫) দরিদ্রতার পূর্বে সচ্ছলতাকে।
-আলমুসতাদরাক হাকিম, হাদীস : ৭৯১৬
–[বাইহাক্বী, সহীহুল জামে ১০৭৭৭]
সহীহ বুখারীর একটি হাদীসে এসেছে, দুটি নিয়ামতের বিষয়ে মানুষ ক্ষতির মাঝে থাকে (১) সুস্থতা (২) অবসর।
আরো অনেক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্থ থাকতে থাকতে নেক আমলের প্রতি মনোযোগী হতে বলেছেন এবং সময়কে যথাযোগ্য কাজে ব্যয় করার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। কারণ অসুস্থ অবস্থায় মানুষ সকল দিক দিয়ে অক্ষম হয়ে যায়। না সে দুনিয়ার জন্য কিছু করতে পারে, না আখেরাতের জন্য । আর সুস্থ সময়টাকে কাজে লাগিয়ে মেহনত করলে অসুস্থ অবস্থায় তার নেকীর ধারা চলতে থাকে। আল্লাহ তাআলা তার পরিপূর্ণ প্রতিদান দেন।

 
Design by Tech Raihan Yt | Bloggerized by Md Shakib Raihan - Premium Blogger Themes | TecH Raihan